বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা

বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় কুরিয়ার সার্ভিস

ঢাকা থেকে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং আমেরিকার প্রতিটি স্টেটে পার্সেল, ডকুমেন্ট ও কার্গোর ডোর-টু-ডোর ডেলিভারি—লাইভ ট্র্যাকিং আর হোয়াটসঅ্যাপে আন্তরিক সাপোর্টসহ।

এয়ার ট্রানজিট সময়
সাধারণত ৩-৭ দিন
সি ফ্রেইট সময়
সাধারণত কয়েক সপ্তাহ
মাধ্যম
এয়ার কার্গো, সি ফ্রেইট, এক্সপ্রেস
মূল্য
প্রতি-কেজি / ভলিউমেট্রিক—কোট নিন

বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় পার্সেল পাঠানোর জন্য নির্ভরযোগ্য কুরিয়ার সার্ভিস খুঁজছেন? জেড ইন্টারন্যাশনাল ঢাকা থেকে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, টেক্সাস, ফ্লোরিডাসহ গোটা আমেরিকায় গিফট, ডকুমেন্ট ও বাণিজ্যিক পণ্য ডোর-টু-ডোর পৌঁছে দেয়। ২০২০ সাল থেকে আমরা পরিবার, শিক্ষার্থী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদে পার্সেল পাঠাতে, ইউএস কাস্টমসের কাগজপত্র সামলাতে এবং অনলাইনে প্রতিটি শিপমেন্ট ট্র্যাক করতে সাহায্য করে আসছি। দ্রুত এয়ার কার্গো হোক বা সাশ্রয়ী সি ফ্রেইট—আমাদের টিম পিকআপ থেকে ডেলিভারি পর্যন্ত স্বচ্ছ প্রতি-কেজি মূল্যে আপনাকে গাইড করে।

আমেরিকায় ডোর-টু-ডোর

বাংলাদেশে আপনার ঠিকানা থেকে পার্সেল সংগ্রহ করে আমেরিকার যেকোনো স্টেটে প্রাপকের দরজায় পৌঁছে দিই।

ইউএস কাস্টমস সহজভাবে

আমরা ইনভয়েস ও কাগজপত্র তৈরি করি এবং ইউএস কাস্টমস ও ডিউটির নিয়ম পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিই।

লাইভ অনলাইন ট্র্যাকিং

প্রতিটি শিপমেন্টের জন্য ট্র্যাকিং নম্বর পান এবং পিকআপ থেকে আমেরিকায় ডেলিভারি পর্যন্ত অনলাইনে ফলো করুন।

এয়ার বা সি, আপনার পছন্দ

জরুরি পার্সেলের জন্য দ্রুত এয়ার কার্গো বেছে নিন, কিংবা ভারী বাণিজ্যিক চালানে খরচ বাঁচাতে সি ফ্রেইট।

নিরাপদ ও ইনস্যুরড অপশন

যত্নসহকারে প্যাকিং আর ঐচ্ছিক ইনস্যুরেন্সে গিফট, ডকুমেন্ট ও পণ্য পুরো যাত্রায় সুরক্ষিত থাকে।

স্বচ্ছ প্রতি-কেজি মূল্য

প্রকৃত বা ভলিউমেট্রিক ওজন অনুযায়ী পরিষ্কার রেট, কোনো লুকানো খরচ নেই—হোয়াটসঅ্যাপে কোট নিন।

বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় যা যা পাঠাতে পারবেন

বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় আমাদের কুরিয়ার সার্ভিস নানা ধরনের জিনিস পাঠায়। ব্যক্তিগতভাবে অনেকে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও হিউস্টনের মতো শহরে থাকা পরিবার ও শিক্ষার্থীদের কাছে গিফট, কাপড়, দেশি খাবার, ওষুধ (যেখানে অনুমোদিত), বই ও জরুরি ডকুমেন্ট পাঠান। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গার্মেন্টস স্যাম্পল, ই-কমার্স অর্ডার, হস্তশিল্প ও বাণিজ্যিক কার্গো আমেরিকান ক্রেতাদের কাছে পাঠায়। ইউএস ও এয়ারলাইন্সের নিয়ম অনুযায়ী কিছু পণ্য নিষিদ্ধ বা সীমাবদ্ধ—যেমন নির্দিষ্ট কিছু তরল, পচনশীল পণ্য ও ব্যাটারি—তাই আগে আমাদের মেসেজ করুন, পিকআপের আগেই আমরা নিশ্চিত করে দেব আপনার চালানে কী কী রাখা যাবে।

আমেরিকায় এয়ার কার্গো বনাম সি ফ্রেইট

জরুরি পার্সেল ও ডকুমেন্টের জন্য বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় এয়ার কার্গোই জনপ্রিয় পছন্দ; গন্তব্য ও কাস্টমসের ওপর নির্ভর করে ট্রানজিট সময় সাধারণত ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যে থাকে। এয়ারের মূল্য প্রকৃত ওজন বা ভলিউমেট্রিক ওজনের মধ্যে যেটি বেশি, সেটির ভিত্তিতে হয়—তাই সঠিকভাবে প্যাক করলে খরচ বাঁচে। ভারী বা বড় আকারের বাণিজ্যিক চালানের জন্য সি ফ্রেইট অনেক বেশি সাশ্রয়ী এবং সাধারণত কয়েক সপ্তাহ সময় নেয়। বাজেট ও সময়সীমার সাথে কোনটি মানানসই বুঝতে পারছেন না? হোয়াটসঅ্যাপে আপনার ওজন, মাপ ও ইউএস গন্তব্য জানান, আমরা সেরা অপশনটি সুপারিশ করব।

কাস্টমস, ডকুমেন্ট ও ট্র্যাকিং

আমেরিকায় ঝামেলাহীন ডেলিভারির শুরুটা হয় সঠিক কাগজপত্র দিয়ে। কমার্শিয়াল বা প্রোফর্মা ইনভয়েস, প্যাকিং লিস্ট এবং পণ্যের সঠিক বিবরণ ও মূল্য তৈরিতে আমরা সাহায্য করি, যাতে অপ্রয়োজনীয় দেরি ছাড়াই আপনার চালান ইউএস কাস্টমস পার হয়। পণ্যের মূল্য ও ধরন অনুযায়ী ইউএস ডিউটি বা কর প্রযোজ্য হতে পারে, যা আমরা আগেই বুঝিয়ে দিই। পার্সেল সংগ্রহ হওয়ার পর আপনি একটি ইউনিক ট্র্যাকিং নম্বর পান, যা দিয়ে প্রতিটি ধাপ—পিকআপ, ট্রানজিট, কাস্টমস ও আউট ফর ডেলিভারি—অনলাইনে ফলো করতে পারবেন, ফলে আপনার চালান কোথায় আছে তা সবসময় জানা থাকবে।

যেভাবে কাজ করে

01

কোট নিন

আপনার পণ্য, ওজন, বক্সের মাপ ও ইউএস গন্তব্য জানিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন, দ্রুত কোট পাবেন।

02

পিকআপ ও প্যাকিং

বাংলাদেশে আপনার পার্সেল সংগ্রহ করি এবং আমেরিকার যাত্রার জন্য নিরাপদে প্যাক করি।

03

কাস্টমস ও ডিসপ্যাচ

ইনভয়েস ও ডকুমেন্ট তৈরি করি, এক্সপোর্ট ফর্মালিটি সম্পন্ন করি এবং এয়ার বা সি-তে চালান পাঠাই।

04

ট্র্যাক ও ডেলিভারি

আমেরিকায় প্রাপকের দরজায় পৌঁছানো পর্যন্ত ট্র্যাকিং নম্বর দিয়ে অনলাইনে ফলো করুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় কুরিয়ার ডেলিভারিতে কত সময় লাগে?+

আমেরিকায় এয়ার কার্গোতে সাধারণত প্রায় ৩ থেকে ৭ দিন লাগে, আর সি ফ্রেইটে সাধারণত কয়েক সপ্তাহ। সঠিক সময় আপনার ইউএস গন্তব্য, বেছে নেওয়া সার্ভিস ও কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের ওপর নির্ভর করে। আপনার নির্দিষ্ট চালানের আনুমানিক সময়ের জন্য হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন।

বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় পার্সেল পাঠাতে কত খরচ হয়?+

মূল্য নির্ভর করে প্রকৃত বা ভলিউমেট্রিক ওজন, সার্ভিসের ধরন ও গন্তব্যের ওপর, তাই রেট চালান ভেদে আলাদা হয়। প্রতিটি পার্সেল আলাদা বলে আমরা নির্দিষ্ট কোনো মূল্য প্রকাশ করি না। সঠিক কোটের জন্য আপনার ওজন, বক্সের মাপ ও ইউএস শহর হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান।

আমি কি আমেরিকায় আমার চালান ট্র্যাক করতে পারব?+

হ্যাঁ। প্রতিটি চালান একটি ইউনিক ট্র্যাকিং নম্বর পায়। আমাদের ট্র্যাকিং পেজে এটি দিয়ে পিকআপ, ট্রানজিট, কাস্টমস ও ডেলিভারি পর্যন্ত অনলাইনে আপনার পার্সেল ফলো করুন। স্ট্যাটাস জানতে যেকোনো সময় আমাদের মেসেজও করতে পারেন।

আপনারা কি আমেরিকায় ডোর-টু-ডোর ডেলিভারি দেন?+

হ্যাঁ। বাংলাদেশে আপনার ঠিকানা থেকে সংগ্রহ করে নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস ও ফ্লোরিডাসহ যেকোনো ইউএস স্টেটে প্রাপকের দরজায় পৌঁছে দিই। ব্যক্তিগত পার্সেল ও বাণিজ্যিক কার্গো—দুই ক্ষেত্রেই ডোর-টু-ডোর সার্ভিস পাওয়া যায়।

আমেরিকায় কোন কোন জিনিস পাঠানো নিষিদ্ধ?+

ইউএস কাস্টমস ও এয়ারলাইন্সের নিয়ম অনুযায়ী কিছু পণ্য সীমাবদ্ধ বা নিষিদ্ধ, যেমন নির্দিষ্ট কিছু তরল, পচনশীল পণ্য, ব্যাটারি ও বিপজ্জনক দ্রব্য। পণ্য ভেদে নিয়ম আলাদা হয়। আপনি কী পাঠাতে চান হোয়াটসঅ্যাপে জানান, পিকআপের আগেই আমরা নিশ্চিত করে দেব সেটি পাঠানো যাবে কিনা।

আমাকে কি ইউএস কাস্টমস ডিউটি দিতে হবে?+

ঘোষিত মূল্য ও পণ্যের ধরন অনুযায়ী ইউএস কাস্টমস ডিউটি বা কর প্রযোজ্য হতে পারে, বিশেষত বাণিজ্যিক চালানের ক্ষেত্রে। সঠিক ডকুমেন্ট তৈরিতে আমরা সাহায্য করি এবং সম্ভাব্য খরচ আগেই বুঝিয়ে দিই, যাতে ডেলিভারির সময় কোনো বিস্ময় না থাকে।

সম্পর্কিত সেবা ও গন্তব্য

জেড ইন্টারন্যাশনালের সাথে পাঠাতে প্রস্তুত?

সেরা রেট এবং দ্রুত, নিরাপদ ও সম্পূর্ণ ট্র্যাকযুক্ত ডেলিভারির জন্য হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন।

হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট করুন